Home / কমপ্লিট অনলাইন মানি আর্নিং মডিউল-২০১৯

কমপ্লিট অনলাইন মানি আর্নিং মডিউল-২০১৯

এইতো ২০১৯, এই পর্যায়ে এসে এখনো আমরা এই ধরনের প্রশ্ন গুলো শুনতে পাই-

ইন্টারনেট থেকে সত্যি সত্যিই কি আয় করা যায়? কিভাবে হয় সিস্টেম গুলো? এইটা সেইটা ওইটা, কোনটা আসলে ঠিক? কিভাবে কি করলে প্রতারিত হব না? বড় ভাইয়ের কথা শুনব নাকি নিজেই সিদ্ধান্ত নিব?

হা–বি–জা–বি—– এই রকম আরো কত্তো প্রশ্ন যে নতুনদের মাঝে আসে তার কোন শেষ নেই! আর তাই আমরা তৈরি করেছি ১৫ মিনিট গাইড, যেখানে মাত্র ১৫ মিনিটে আপনি পাবেন এই সবগুলো প্রশ্নের একদম ক্লিয়ার কাট সল্যুশন এবং গাইডলাইন..

ওকে, তাহলে আগামী ১৫ মিনিট ধৈর্য্য ধরে সাথেই থাকুন এবং জেনে নিন ধোয়াশায় ভরা প্রশ্ন গুলোর সহজ-সরল উত্তর…

ইন্টারনেটে থেকে কিভাবে আয় করা যায়?

এর উত্তর দেয়ার পূর্বে-

ভাবুন তো, ফেসবুকে আমরা যদি কাউকে মেসেজ করতে পারি, ভিডিও কলে কথা বলতে পারি, যদি অনলাইনে গেম খেলা যায়, যদি ইন্টারনেট থেকে শপিং করা যায়, যদি ভিডিও এমনকি লাইভ টিভি দেখতে পারি, যদি ইন্টারনেটে লাইভ ক্রিকেট খেলার স্কোর দেখা যায়- তবে কেন এখান থেকে ইনকাম করতে পারবেন না?

সহজ প্রশ্ন তো! তাইনা?

এইযে টিভি দেখা, শপিং করা এই বিষয়গুলো তো আর এমনি এমনি তৈরি হয় নি, নিশ্চয় মানুষ এগুলো তৈরি করেছে। যেহেতু এগুলো তৈরি করতে মানুষের প্রয়োজন আছে তাই এখানে কাজ করে উপার্জনের সুযোগও রয়েছে 🙂

ভাল করে শুনুন, ইন্টারনেটের মাধ্যমেই চাকরি এবং ব্যাবসা দুটোই করা সম্ভব

একদম সহজ হিসাব,- চাকুরির জন্য প্রয়োজন দক্ষতা অর্জন + নিজেকে প্রমাণ করতে পারার যোগ্যতা, অপরদিকে, ব্যবসার জন্য দরকার আইডিয়া + রিস্ক নেয়ার সাহস ও পর্যাপ্ত টাকা

বিষয়টা একদম হুবহু আমাদের বাস্তব জীবনের মতই

চাকরি এবং ব্যবসা সম্পর্কে বেসিক ধারনা:

ইন্টারনেটে চাকরী গুলোকেই আমরা সাধারনভাবে ফ্রীল্যান্সিং বলে থাকি। এর মাধ্যমে যে কেউ কোন নির্দিষ্ট বিষয়ে স্কীলড বা দক্ষ হয়ে দেশ ও দেশের বাইরের ক্লাইন্টদের কাজ করে দিতে পারে।

অপরদিকে, ইন্টারনেটেও ব্যবসা করা যায়। এমন একটি কমন ব্যবসা হচ্ছে- ইন্টারনেটে পন্য কেনা বেচা করা, তবে এটি ছাড়াও ইন্টারনেটে আরো হাজার উপায়ে ব্যবসা করা যায়। এমনকি ইন্টারনেটে আমরা যে বিভিন্ন বিষয়ে চাকরীর সুযোগ পেয়ে থাকি সেগুলোকে কেন্দ্র করেও ব্যবসা করার সুযোগ তৈরি করা যায়।

কাজেই মানি আর্নিং এর উপায় হিসেবে ইন্টারনেটকে ছোট করে দেখার কোন সুযোগ নেই, আর যদি আপনি এটাকে ছোট করে দেখেন তাহলে পৃথিবী ঠিকই ডিজিটাল হয়ে যাবে, শুধু হারিয়ে যাবেন আপনি…

 

 ইন্টারনেটেই চাকরি বা ফ্রীল্যান্সিং (মুক্তপেশা)

আমাদের প্রতিদিনকার বাস্তব জীবনে চাকরি কিভাবে হয়? নিশ্চয়ই আপনার অজানা নয়

ইন্টারনেটেও ঠিক একইভাবে চাকরী হয়ে থাকে। এখানেও দক্ষতা লাগে এবং ইন্টারভিউ + পূর্ব অভিজ্ঞতার আলোকে লোক নিয়োগ দেয়া হয়ে থাকে।

এখানেও বেতন, বোনাস এমনকি যত ঘণ্টা কাজ তত ঘণ্টার পেমেন্ট অথবা চুক্তিভিত্তিতেও কাজ হয়ে থাকে।

শুধু পার্থক্য হচ্ছে, বাস্তব চাকরিতে ফিজিকালি অফিসে উপস্থিত থাকতে হয় আর ফ্রীল্যান্সিং এর ক্ষেত্রে কম্পিউটারের মাধ্যমে ঘরে বসেই সব কাজ করে দিতে হয় এবং অনলাইনেই কাজের ফাইনাল রেজাল্ট বা ফাইল গুলো জমা দিতে হয়।

ইন্টারনেটে চাকরি করার বা ফ্রীল্যান্সিং করার একটি বড় প্লাস পয়েন্ট হচ্ছে, বাস্তব জীবনে চাকরি পেতে মামা-চাচা, ঘুষ, একাডেমিক সার্টিফিকেট এই রকম আরো অনেক কিছু লাগে, কিন্তু এখানে শুধু ভাল করে কাজ জানলে এবং উপস্থাপন করতে পারলেই কাজ পাওয়া যায়।

কারন হচ্ছে, এইটা ইন্টারন্যাশনাল মার্কেট, এখানে কাজ জানাটাই আসল, এখানে কে কোন ভার্সিটি থেকে কোন সাবজেক্ট এ পাশ করেছেন এই গুলার কোন ভেল্যু নেই।

একবার ভাবুন তো, আপনি ঘরে বসেই হয়ত সিংগাপুরের কোন কোম্পানিতে জব করছেন!!

এটা কোন অবাস্তব কিছু নয়, ICT ডিপার্টমেন্ট এর তথ্য মতে বাংলাদেশে এই ধরনের ফ্রীল্যান্সারদের সংখ্যা প্রায় ১০ লক্ষ+ !!!

এখানে চাকুরির সবচাইতে বড় সুবিধা হচ্ছে, ৯ টা-৫টা ডিউটি নেই, ক্লাইন্টের দেয়া নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ খতম করতে পারলেই হল।

আর আসল কথাটা হল, এর পেমেন্ট আমাদের দেশের জবের পেমেন্টের তুলনায় সত্যিই অনেক বেশি, এখানে মিনিমাম ওয়ার্করেট হল প্রতি ১ ঘণ্টায় ৩ ডলার, মানে দিনে ৭ ঘণ্টা কাজ করলে ২১ ডলার, মাসে- ২১*৩০ = ৬৩০ ডলার, যা প্রায় ৪৮ হাজার টাকারও বেশী এবং এটা হচ্ছে এর সর্বনিম্ন রেট।

যত দিন যাবে এবং যত বেশী দক্ষতা+ভাল ফিডব্যাক অর্জন করতে পারবেন রেট ততই বাড়তে থাকবে 🙂

যদিও ১০০% নয়, কিন্তু তবুও এই অনলাইন ভিত্তিক চাকরিকেই ফ্রীল্যান্সিং ( Freelancing ) বা আউটসোর্সিং ( Outsourcing ) বলা হয়ে থাকে।

ইন্টারনেটে কাজ করতে গেলে “সাইন্স বিভাগ”-এর ছাত্র হতে হয় না, বরং যে কেউ-ই কাজ শিখে কাজ করতে পারেন

ফ্রীল্যান্সিং নিয়ে আমাদের মধ্যে থাকা কিছু ভূল ধারণাঃ

  • ফ্রীল্যান্সিং মানেই ক্লিক করে ইনকাম করার সিস্টেম
  • ফ্রীল্যান্সিং মানে পার্টটাইম জব, এটা ফুল টাইম জবের বিকল্প হতে পারেনা
  • চাকরিতে টাকা আসার নিশ্চয়তা থাকলেও ফ্রীল্যান্সিং এ টাকা নিয়মিত আসে না
  • কোনমত কাজ শিখেই ফ্রীল্যান্সিং করা যাবে
  • বিদেশীদের মতো ইংরেজী না জানলে ফ্রীল্যান্সার হওয়া যাবে না
  • ফ্রীল্যান্সিং পরিশ্রম বিহীন কোটিপতি হওয়ার সিক্রেট রাস্তা
  • ফ্রীল্যান্সিং এর জন্য প্রচুর টাকা ইনভেস্ট করতে হয়
  • ফ্রীল্যান্সিং করার জন্য ট্রেনিং সেন্টার এ যেতে হবে
  • ১৫-২০ দিন চেস্টা করেই ফ্রীল্যান্সার হওয়া যায়
  • ফ্রীল্যান্সার হতে হলে সাইন্স বিভাগের ছাত্র হতে হবে

চাকরি/কাজ পাব কোথায়? দিবে কে? সিস্টেম টা কি?

অনেক ওয়েবসাইট আছে যাদের ওখানে পুরো পৃথিবী থেকে বিভিন্ন দেশের বায়ার বা চাকুরিদাতারা দক্ষ লোকের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে থাকে।

ওই একই ওয়েবসাইটে বিভিন্ন ওয়ার্কার-রাও তাদের দক্ষতা অনুযায়ী সেই কাজের বিজ্ঞাপন গুলো দেখে সেখানে কাজের জন্য আবেদন করে এবং এ আবেদন তালিকা থেকে “ক্লাইন্ট বা বায়ার” যাকে যোগ্য মনে করেন তাকে কাজটি দেয়।

এই জাতীয় ওয়েবসাইট গুলোকে ফ্রীল্যান্স মার্কেটপ্লেস বলা হয়ে থাকে – যেমন- আপওয়ার্ক, ফ্রীল্যান্সার.কম ইত্যাদি হচ্ছে সুপরিচিত ফ্রীল্যান্স মার্কেটপ্লেসের উদাহরণ

এরপরে যখন ওই ওয়ার্কার কাজটি শেষ করে ক্লাইন্টকে ফাইল গুলো বুঝিয়ে দেয় তখন ক্লাইন্ট তাকে সেই কাজের পারিশ্রমিক দিয়ে থাকে। তার পাশাপাশি কাজের কোয়ালিটির উপর ভিত্তি করে রিভিউ এবং রেটিংও দিয়ে থাকে

উপার্জিত ডলার, টাকা হয়ে আমার কাছে আসবে কিভাবে?

বিষয়টা অনেক জটিল শোনালেও আসলে খুব সহজ। আপনি যে কোম্পানি/ফ্রীল্যান্স মার্কেটপ্লেসে কাজ করবেন তাদের কাছে আপনার ব্যাংক এর তথ্য দিতে হবে, তারাই আপনাকে আপনার পারিশ্রমিক সরাসরি ব্যাংক এ পাঠিয়ে দিবে। ব্যাংক ই আপনার উপার্জিত ডলারকে টাকায় কনভার্ট করে আপনাকে পেমেন্ট করবে। এর জন্য আপনাকে আলাদাভাবে কোন কিছুই করতে হবে না।

এখানে উল্লেখ্য, আপনার ব্যাংক অবশ্যই অনলাইন সাপোর্টেড হতে হবে। বাংলাদেশে সকল বেসরকারি এবং বেশ কয়েকটা সরকারী ব্যাংকও অনলাইন ভিত্তিক হয়ে গেছে। কাজেই এটা নিয়ে আর কোন টেনশনই নেই।

এছাড়াও অনেক থার্ড পার্টি পেমেন্ট গেটওয়ের মাস্টারকার্ড (যেমন- Payoneer, Neteller ইত্যাদি) সংগ্রহ করে তার মাধ্যমেও টাকা আনতে পারেন। এই ক্ষেত্রে আপনি কোথায় কার সাথে কাজ  করছেন এবং উনি বা ওই কোম্পানি কতটা বিশ্বস্ত তার উপর নির্ভর করে সব কিছু।

ক্লাইন্টরা নিজেদের দেশের লোক রেখে আমাদের কেন হায়ার/চাকুরি দিবে?

এর কারন হচ্ছে, তাদের দেশের একজন ওয়ার্কার দিয়ে যে কাজ করাতে ২ হাজার ডলার খরচ হবে সেটা আমাদের দেশীয় বা এই ধরনের উন্নয়নশীল দেশের ওয়ার্কার দিয়ে করালে মাত্র ৪০০-৫০০ ডলারের মধ্যে বা তারও কমে হয়ে যায়।

আর এই জন্যই বায়ার বা ক্লাইন্টরা এই ভাবে ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমাদেরকে দিয়ে সস্তায় কাজ গুলো করিয়ে নেয়। এই সিস্টেমটাকেই বলে ফ্রীল্যান্সিং আর আমরা যারা কাজ গুলো করি তাদের বলে ফ্রীল্যান্সার।

মজার ব্যাপার হচ্ছে, তাদের কাছে এই টাকার পরিমাণটা সস্তা মনে হলেও সেটা আমাদের দেশের শ্রমবাজারের তুলনায় তা কয়েকগুন বেশি 🙂

আর এই জন্যই দিন দিন হাজার হাজার লোক এই পেশায় ঢুকছেন।

* কি কি বিষয়ের উপর ফ্রীল্যান্সিং এর কাজ করা যায় সাধারণত?

কম্পিউটারে করা যায় এমন যে কোন ধরনের কাজই অনলাইনে পাওয়া যায়। তবে এর মধ্যে সবচাইতে বেশী দেখা যায় নিচের কাজ গুলো-

  • ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট
  • ডিজিটাল মার্কেটিং (SEO, SMM, SEM, Video Marketing, E-mail Marketing)
  • গ্রাফিক্স ডিজাইন
  • ভিডিও এডিটিং
  • অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট বা অ্যাপ ডেভেলপিং
  •  ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট
  • প্রোজেক্ট ম্যানেজার
  • ভয়েস ট্যালেন্ট ইত্যাদি আরো অনেক কিছু

শুরুটা কিভাবে করবো?

ইন্টারনেটে চাকরি বা ফ্রীল্যান্সিং করতে গেলে আপনাকে ফলো করতে হবে সিম্পল তিনটি স্টেপঃ

১. কাজ শেখা

২. স্কীল/দক্ষতা অর্জন

৩. শো অফ করার মাধ্যমে নিজের যোগ্যতার জানান দিয়ে মার্কেট থেকে কাজ উঠিয়ে নেয়া

আমাকে কি কি শিখতে হবে? সব শিখব নাকি একটা? তাহলে কোনটা?

আমাদের মধ্যে একটা কমন সমস্যা হচ্ছে আমরা ফ্রী সাজেশন দিতে এবং ফ্রী সাজেশন নিতে খুব পছন্দ করি। অনেকেই অনেকের কথা শুনে এদিক ওদিক সবদিকে দৌড় দেই এবং সবশেষে খালি হাতে ঘুরে ফিরে আগের জায়গাতেই চলে আসি।

একবার ভাবুন তো, বাস্তব জীবনে কি আপনি একই সাথে ডাক্তার এবং ইঞ্জিনিয়ার হতে পারবেন?

যদি পারেনও তাহলে আগে একটা হতে হবে তারপরে আরেকটা। কিন্তু শর্তটা হচ্ছে আগে ভাল করে জেনে নিতে হবে ডাক্তারি এবং ইঞ্জিনিয়ারনিং পেশা সম্পর্কে। তারপরে ঠিক করতে হবে আপনি কোনটা হবেন।

ঠিক একই ভাবে, অনলাইনেও আপনাকে সব কিছু শিখতে হবে না। আগে জেনে নিতে হবে বিভিন্ন বিষয় এবং সেক্টরের কাজ সম্পর্কে, জানতে হবে তাদের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে। এরপরে সিদ্ধান্ত নিবেন আপনি কি শিখবেন?

তবে, যে কোন একটা শিখবেন মানে এমন নয় যে, বাকী গুলো সম্পর্কে ধারনাই রাখবেন না, আমার সাজেশন হচ্ছে যে কোন এক বিষয়ে দক্ষ হোন এবং বাকী গুলো সম্পর্কে বেসিক নলেজ রাখুন।

এই সম্পর্কে আমাদের সুপার Exclusive গাইড পাবেন ইমেইলের মাধ্যমে! মিস না করতে চাইলে পড়তে থাকুন।

এবার একদম নতুন অবস্থায় আমি কি শিখব?

আসলে এটা সম্পূর্ণই আপনার ব্যাপার।

মনে রাখুন, যে কাজ শিখতে যত সহজ সেই কাজে তত বেশী কম্পিটিশন এবং কম পেমেন্ট রেট

অপরদিকে, যে কাজ শিখতে যত কঠিন তার কম্পিটিশনও তত কম এবং কাজের রেটও তত বেশী 🙂

তবে এই ক্ষেত্রে, আমাদের সাজেশন হচ্ছে ওয়েব ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট শিখুন। এটি শিখতে খুব বেশী সহজও নয় আবার কঠিনও নয়, এর ভবিষ্যৎ ভাল এবং প্রচুর কাজও পাওয়া যায়। এই বিষয়ে আমাদের গাইডলাইন দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

এই ছিল ফ্রীল্যান্সিং বা চাকরি নিয়ে শর্টকাটে কিছু তথ্য। আশা করি কিছুটা হলেও বুঝতে পেরেছেন।

নিচের এবার আমরা ইন্টারনেটে ব্যবসা নিয়ে আলোচনা করবো।

ইন্টারনেটেই ব্যাবসা

এবার আসি ব্যবসায়, হে হে কি ভাবছেন? হ্যাঁ, ঠিকই ভাবছেন, অনলাইনেও ব্যবসা করা যায় এটাই সত্য এবং এটা করেই বিশ্বে অনেকেই কোটিপতি হয়েছেন এবং হচ্ছেন…

একটা কথা বলেছিলেন বর্তমান বিশ্বের সেরা ধনী বিল গেটস-

bill gates quote

এর মানে হচ্ছে, যদি আপনার ব্যবসা ইন্টারনেটে না থাকে তাহলে সেটা একদিন হারিয়ে যাবে। এর মানে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন অনলাইন ভিত্তিক ব্যবসা এমনকি ইন্টারনেটের বাইরে আপনার বর্তমানে থাকা ব্যাবসা গুলোও অনলাইনে নিয়ে আসা কতটা গুরুত্বপূর্ণ!

অনলাইনে ব্যবসা কিভাবে হয়?

খুব সহজ, বাস্তব জীবনে যেমন ব্যবসায় আমরা কোন প্রোডাক্ট তৈরি করে সেল করি অথবা কোন প্রোডাক্ট কিনে আমরা আবার বিক্রি করি অথবা কোন সার্ভিস দেই, একইভাবে ইন্টারনেটেও আমরা একই কাজ করতে পারি।

ব্যবসার জন্য বাস্তব জীবনের মত এখানেও ইনভেস্ট করতে হয়। রিস্ক-লাভ-লস সবই আছে এখানে।

পার্থক্য হচ্ছে, এখানে সব কিছুই হবে অনলাইনে ইন্টারনেটের মাধ্যমে।

কয়েকটা ব্যবসার উপায় বলুন দেখি

বাস্তব জীবনের মতই এখানেও ব্যবসা হতে পারে হাজার রকম উপায়ে। আপনি নিজে কোন আইডিয়া নিয়ে সেটাকে কাজ লাগিয়েও ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

তবে কয়েকটা কমন ব্যবসা হচ্ছে,

  • ওয়েবসাইট করা এবং সেখানে বিভিন্ন প্রোডাক্ট সেল করা বা বিজ্ঞাপন থেকে ইনকাম করা
  • ই-কমার্স বা অনলাইনেই পন্য কেনা বেচা
  • বড় বড় ব্র্যান্ডের বিভিন্ন প্রোডাক্ট নিজে মার্কেটিং করে সেটাকে সেল করা
  • ইউটিউব থেকে উপার্জন
  • ড্রপ শিপিং বিজনেস
  • টি শার্ট অ্যাফিলিয়েশন
  • অ্যামাজন FBI
  • নিজেই কোন আইডিয়া/সার্ভিস/প্রোডাক্ট বের করে সেটাকে মার্কেটিং করা এবং এরকম ইত্যাদি আরো অনেক অনেক অনেক উপায়

 

মূলত ইন্টারনেটে যে চাকরিগুলো বা ফ্রীল্যান্সিং করা হয় সেগুলো কোন না কোন অনলাইন ব্যবসারই অংশ, এখানে মূলত ফ্রীল্যান্সাররা বিভিন্ন অনলাইন ব্যাবসায়ীর সমস্যা সমাধানের জন্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জব করে থাকে, যেমনটি লোকাল ব্যবসায় কর্মচারীরা জব করে থাকে

ব্যাবসার টাকা আমার কাছে আসবে কিভাবে?

এটা নির্ভর করে আপনি কি, কোথায়, কিসের এবং কিভাবে ব্যবসা করছেন। যদি কোন প্রতিষ্ঠিত কোম্পানীর সাথে পার্টনারশীপে ব্যবসা করেন তাহলে তাদের সিস্টেম অনুযায়ী পে করবে। আর যদি নিজের ব্যবসা হয় তাহলে Master Card এর মাধ্যমে টাকা দেশে নিয়ে আসতে পারেন। এই নিয়ে বিস্তারিত সামনে জানতে পারবেন।

ওকে, আমি কোনটা করব?

গুগল অ্যাডসেন্স, ইউটিউব থেকে ইনকাম, ওয়েবসাইট, ব্লগিং, ই-কমার্স, অ্যাফিলিয়েশন, ড্রপ শিপিং ইত্যাদি সবগুলোই ইন্টারনেট ভিত্তিক ব্যবসার উদাহরন।

প্রথমে, আপনি বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা সম্পর্কে জানুন, বুঝুন এবং এরপরে সিদ্ধান্ত নিন কোনটা আপনি করতে আগ্রহ বোধ করেন। পরে সেটাই শুরু করুন।

তবে ব্যবসা শুরু করতে চাইলে আমার সাজেশন হচ্ছে, নিজে কিছু তৈরি করেন এবং সেটাকে সেল করেন। এটাই হচ্ছে উদোক্তাদের সবচাইতে কার্যকরী উপায়। তবে চাইলে ই-কমার্স দিয়েও ব্যবসা শুরু করতে পারেন।

আমার মতে, ব্যবসায় নিজের আইডিয়া-ই বেস্ট !

কোন ব্যবসা সম্পর্কে কিভাবে জানবেন এবং বুঝবেন?

ব্যবসার জন্য যে সব সময় নতুন ইউনিক আইডিয়াই বের করতে হবে এমন কোন কথা নেই। অলরেডি মানুষজন করছে এমন ব্যবসা দিয়েও শুরু করতে পারেন।

কিন্তু এর জন্য আপনাকে ভাল করে ওই ব্যবসা সম্পর্কে জানতে এবং বুঝতে হবে। তাহলেই ব্যবসা করে সফলতা অর্জন করা সম্ভব।

 

আপনার সুবিধার্থে চাকরি এবং ব্যবসার কিছু তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরা হলঃ

  • ইনভেস্টমেন্টঃ
    • চাকরি বা ফ্রীল্যান্সিং করতে তেমন একটা ইনভেস্ট লাগে না, শুধু প্রয়োজন হয় ভাল করে কাজ শেখা এবং নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তোলা। অপরদিকে ব্যবসার জন্য প্রয়োজন আইডিয়া, পর্যাপ্ত টাকা এবং রিস্ক নেয়ার সাহস
  • সময়ঃ
    • ব্যবসার তুলনায় ফ্রীল্যান্সিং বা চাকরিতে ইনকাম তুলনামূলকভাবে অনেক দ্রুত হয়ে থাকে
  • আয়ের পরিমাণঃ
    • চাকারিতে দ্রুত ইনকাম দ্রুত হলেও মোট আয়ের পরিমাণ ব্যবসায়ের তুলনায় অনেক কম থাকে। অপরদিকে, ব্যবসায় লাভ-লসের রিস্ক থাকলেও এখান থেকে ইনকাম চাকুরীর তুলনায় অনেক অনেক গুন বেশী হয়ে থাকে
  • ধৈর্য্যঃ
    • চাকরি এবং ব্যবসা দুটোতেই প্রচুর ধৈর্য্য প্রয়োজন
  • ভালবাসাঃ
    • কাজের প্রতি ভালবাসা না থাকলে এই পেশায় না আসাই ভাল। সবচাইতে বড় কথা হচ্ছে, আপনি যদি এই পেশাকে ভালবাসতে না পারেন তাহলে আসবেন না, এটা অনেক ধৈর্য্য আর আবেগের জায়গা। আপনার কাজের, আপনার ব্যবসার প্রতি আপনার যথেষ্ট সম্মানবোধ এবং ভালবাসা থাকতে হবে, তাহলেই কেবল সফলতা সম্ভব। একটা হচ্ছে ভালবেসে করা আর আরেকটা হচ্ছে বাধ্য হয়ে করা, এই দুটোর মধ্যে অনেক পার্থক্য। যদি মনে করেন, কোন রকম একটা উপার্জন হলেই হল তাহলে এই পেশায় খুব একটা সফল নাও হতে পারেন।

 

এই ছিল বেসিক ধারনা, এবার চলুন একটু ভেতরে ঢোকা যাক…

 

এমন তো অনেক কাজের কথা শুনি যেগুলোর নামই আগে কখনো শুনি নাই বা কেউ বলে নাই, সেগুলো কিভাবে করব?

হ্যা, অনেক সময় এমন অনেক কাজের নাম শোনা যায় যেগুলো আগে হয়ত শুনে থাকবেন না। এমন একটি কাজ হচ্ছে, T-Shirt অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং- অনেকেই স্পেসিফিকেলি TeeSpring নামে চিনি।

সমস্যা হচ্ছে, এই ধরনের কাজের নাম সামনে আসলে আপনি কিভাবে বুঝবেন যে এটা কি?

হ্যা, এর সমাধান একটু পরেই দিচ্ছি, কিন্তু তার আগে চলুন একটা ছোট্ট টেস্ট নেয়া যাক,

বলুন তো গুগল অ্যাডসেন্স থেকে ইনকাম চাকুরীর মধ্যে পড়ে নাকি ব্যবসা?

উত্তরটা যদি জেনে থাকেন তাহলে ভাল, আর যদি শত ভাবার পরেও না বুঝতে পারেন তাহলে নিচের লিখাটি আপনার জন্যই!

কিভাবে নতুন কোন কাজের নাম শোনার পরে সেটা সম্পর্কে বিস্তারিত খবর নিতে হয়ঃ

সোজা নিচের স্টেপগুলো ফলো করুনঃ

ধরে নিলাম আমরা Google Adsense নিয়ে জানবো, তাই

  • গুগলে সার্চ দিবো- What is Google Adsense লিখে
    • এতে যে রেজাল্ট আসবে তার প্রথম কয়েকটি লিখা ভাল করে বুঝে বুঝে পড়ে নিবো
  • এর পরে সার্চ দিন- How Google Adsense Pays/Works লিখে
  • Google Adsense Success Story এবং Case Study লিখে সার্চ করেও অনেক তথ্য পাবেন
  • ইউটিউবেও সার্চ দিয়ে এই জাতীয় অনেক তথ্য পাবেন

এইভাবে যে কোন কাজ সম্পর্কে ধারনা নিয়ে নিন। এর পরে এই জাতীয় কাজ করে এমন কোন এক্সপার্টকে জিজ্ঞেস করতে পারেন।

এই জাতীয় এক্সপার্ট ফেসবুকে বা বিভিন্ন ট্রেনিং সেন্টারে খোজ করলেই পেয়ে যাবেন।

এক্সপার্টদের সন্ধান পেতে ফেসবুকে জাস্ট কাজের নাম লিখে সার্চ দিন দেখবেন অনেক বাংলাদেশীই হয়ত পাবেন যিনি এই বিষয় নিয়ে পোস্ট দিয়েছে ফেসবুকে। তাদেরকে নক করতে পারেন হেল্প এর জন্য।

আশা করি হেল্প পেয়ে যাবেন।

এবার পারবেন তো? আশা করি এখন আর কেউ আপনাকে আন্দাজে কোন কাজের কথা বললেই আপনি না বুঝেই চোখ বন্ধ করে সেদিকে দৌড় দিবেন না। এবার আপনিও আগে সেটা যাচাই করে, এর উপর আপনার আগ্রহ আছে কিনা সেটা বুঝে তারপরে সিদ্ধান্ত নিবেন।

 

আমি আসলে করব কি? চাকরি না ব্যবসা?

একটি সিদ্ধান্ত আপনার গোটা জীবনটাকে গড়তেও পারে আবার ধ্বংসও করতে পারে

কাজেই, সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় এই বিষয়গুলো ভাবুনঃ

  • চাকরি অনেকটা নিরাপদ কিন্তু অল্প ইনকামের হয়ে থাকে, অপরদিকে ব্যবসা সবসময়ই রিস্কি কিন্তু বেশী ইনকাম হয়ে থাকে
  • প্রথমেই ভাবুন, আপনার কাছে ব্যবসা করার মত পর্যাপ্ত টাকা আছে কিনা, যদি থাকে তাহলে নেমে পড়ুন, আর যদি না থাকে তাহলে চাকরির দিকে যান

অনেকেই আবার প্রশ্ন করবেন, ব্যবসা করতে কি পরিমাণ টাকার দরকার হবে?

তাহলে চলুন নিচের ভিডিও দেখে নেই..

অনলাইনে ব্যবসা করতে কত টাকার প্রয়োজন হবে? কেমন সময় লাগবে?

এইটা আসলে খুব জটিল একটি প্রশ্ন। প্রশ্নের উত্তরটা সহজ হয়ে যাবে যদি আপনি আপনাকে জিজ্ঞেস করি- “আমাদের অফলাইন বা অনলাইনের বাইরে কোন একটি ব্যবসা দিতে কত টাকা লাগে? “

উত্তরটা সহজ, তাইনা? – ব্যবসার ধরনের উপর নির্ভর করে।

হ্যা, ইন্টারনেট ভিত্তিক ব্যবসাও ঠিক এমন, এটা পুরোটাই আপনি কি করতে চাচ্ছেন কিভাবে করতে চাচ্ছেন তার উপরে নির্ভর করে। আর তাই এটা বলা মুশকিল যে আসলে ব্যবসায় কত টাকা লাগবে, তবে এটুকু বলতে পারি- মোটামুটি ৫০০-১০০০ ডলার হাতে নিয়ে আসলে আপনি মোটামুটি ছোটখাট হলেও ইন্টারনেট ভিত্তিক বিজনেস শুরু করতে পারেন।

যদি মনে করেন পর্যাপ্ত টাকা এবং সাহস আছে তাহলে ব্যবসা করুন অথবা চাকরির দিকে অগ্রসর হোন।

তবে সিদ্ধান্তটা কিন্তু প্রথমে ফিক্স করতেই হবে- “আপনি চাকরি করবেন নাকি ব্যবসা ? “- এর উপরেই নির্ভর করছে সব কিছু

যদি ঠিক করে থাকেন ব্যবসা করবেন তাহলে সেটা কিভাবে করবেন তা আসবে একটু পরেই। কিন্তু তার আগে চলুন জেনে নিই চাকরি বা ফ্রীল্যান্সিং কিভাবে শুরু করবেন-

ফ্রীল্যান্সিং কিভাবে শুরু করবেন?

আমরা ইতিমধ্যেই জেনেছি, আমাদের দেশীয় প্রেক্ষাপট অনুযায়ী আপাতদৃষ্টিতে ফ্রীল্যান্সিং হচ্ছে কোন বিষয়ে দক্ষতা অর্জন এবং সেই বিষয়ের উপরে কাজ করে সেখান থেকে উপার্জন।

বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে- ওয়েব ডিজাইন, ডিজিটাল মার্কেটিং (SMM – Social Media Marketing like Facebook, Youtube, Pinterest etc, SEM- Search Engine Marketing), এসইও (SEO- Search Engine Optimization), App Development (Android, Windows, Mac OS), গ্রাফিক্স ডিজাইন, ডাটা এন্ট্রি ইত্যাদি আরো অনেক অনেক অনেক কিছু।

ফ্রীল্যান্সিং এর জন্য নিচের স্টেপ বাই স্টেপ গাইড ফলো করুনঃ

  • প্রথমে বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানুন এবং বুঝুন  ( কিভাবে কোন বিষয় সম্পর্কে জানতে হয় সেটা আগেই ভিডিওতে বলা হয়েছে )
    • দেখুন কাজটির মূল বিষয় কি, মূলত কাজটিতে কি করা হয়
    • এরপরে দেখুন এটির ভবিষ্যৎ কেমন হতে পারে
    • দেখুন এটি শিখতে হলে আপনাকে কি কি শিখতে হবে
    • কতটুকু শেখার পর আপনি কাজ শুরু করতে পারবেন
    • কাজের রেট কেমন এবং প্রতিযোগিতা কেমন
  • যে কাজটির প্রতি আপনি আগ্রহ বোধ করবেন সেটির দিকেই যাবেন
  • আগ্রহ নেই কিন্তু বড় ভাই বলেছে ভাল টাকা আছে, না জেনে-বুঝে এমন কোন কাজের দিকে ভুলেও যাবেন না, তাহলে পরে পস্তাতে হবে
  • এবার আপনার আগ্রহ আর উপরের বিষয়গুলো বিবেচনা করে ঠিক করুন কোন কাজটা শিখবেন
  • এরপরেই কাজটি শেখা শুরু করে দিন
  • প্রচুর প্র্যাক্টিস করুন
  • বেশ কিছু ডেমো প্রোজেক্ট করুন- নিজে নিজে তৈরি করেই
  • এরপরে লোকাল অর্থাৎ আমাদের নিজ দেশীয় কোন কোম্পানী বা কোন বড় ভাইয়ের দুই একটা কাজ ফ্রীতে করে দিন- এটা শুধু অভিজ্ঞতা আর পোর্টফোলিও তৈরি করার জন্য
  • কোন কোম্পানিতে ইন্টারনিও করতে পারেন
  • যখন দেখবেন আপনার হাতে ৪-৫ টা কাজের প্রমাণ রয়েছে, মানে আপনি সফলভাবে অন্য কারো প্রোজেক্ট করতে পেরেছেন তখনই আপনি নিজেকে কাজের উপযুক্ত ভাববেন
  • এরপরে ফ্রীল্যান্স মার্কেটে অ্যাকাউন্ট খুলে কাজের জন্য আবেদন করতে পারেন
  • অবশ্যই আবেদন করার সময় ক্লাইন্টকে আপনি আগে যে ৪-৫ টা কাজ করেছেন সেগুলোর প্রমাণ দিয়ে দিন
  • তাহলে দেখবেন সফলতা পেতে খুব সময় লাগবে না

কোথায় এবং কিভাবে শিখবেন?

আমাদের দেশীয় পরিস্থিতিতে সবকিছু চাইলেই করা সম্ভব নয়। এমন অনেক কাজ আছে যেগুলোর অনেক ডিমান্ড রয়েছে পৃথিবীতে। কিন্তু বাংলাদেশে এর কোন ট্রেনিং সেন্টার নেই।

সুতরাং, কি শিখবেন সেটার থেকে বড় সমস্যা হচ্ছে কিভাবে এবং কোথায় শিখবেন?

যে কোন কিছু শেখার জন্যই ট্রেনিং সেন্টার বেস্ট। কিন্তু বাংলাদেশে ভুয়া ট্রেনিং সেন্টার এর সংখ্যাই বেশী।

অলিতে গলিতে এখন সবাই আউটসোর্সিং শেখায়! কিন্তু সঠিক প্রতিষ্ঠান বাছাই না করতে পারলে, ট্রেনিং এর টাকা, শ্রম এবং সময় সবগুলোই বৃথা

এর জন্য আপনি যা করতে পারেনঃ

প্রথমে গুগলে এবং ইউটিউবে সার্চ করে আপনার নির্ধারিত বিষয় সম্পর্কে ধারণা নিন এবং বেসিক বিষয়গুলো শিখে ফেলুন

বিভিন্ন কোম্পানির টিউটোরিয়াল সংগ্রহ করে দেখে ফেলুন, এক্ষেত্রে আমাদের টিউটোরিয়াল গুলোও দেখতে পারেন

টিউটোরিয়াল দেখার ফলে আপনার মধ্যে ওই বিষয় সম্পর্কে বেশ ভাল ধারণা হয়ে যাবে এবং অন্তত কোন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দেখলে সেই প্রতিষ্ঠান আসলেই শেখাতে পারবে কিনা, বা শেখালেও কি কি শেখাবে এই এতটুকু যোগ্যতা আপনার হবে।

এমনকি আপনি টিউটোরিয়াল দেখেও কাজ শুরু করতে পারেন এবং পাশাপাশি নতুন নতুন বিষয় শিখে যেতে পারেন।

কাজ শেখার জন্য আমাদের সাজেশনঃ

যে কোন বিষয়ে কাজ শেখার জন্য গুগল বা ইউটিউব হতে পারে অন্যতম সহায়িকা। কিন্তু এখানে সব কিছু শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত গুছিয়ে থাকে না।

এর জন্য প্রথম এবং সহজ সমাধান হচ্ছে- টিউটোরিয়াল দেখা। বাংলাদেশেই এখন অনেক বিষয়ের উপর অনেক মানসম্মত টিউটোরিয়াল পাওয়া যায়।

যেমন- আমরা নিজেরাই (আইটি-বাড়ি) বিভিন্ন বিষয়ের উপর হাই কোয়ালিটি বাংলা ভিডিও টিউটোরিয়াল তৈরি করে চলেছি।

এই টিউটোরিয়াল গুলো অত্যন্ত কম মূল্যের এবং অনেক তথ্য সমৃদ্ধ হয়ে থাকে। যেমন ধরুন- আমাদের “ওয়েব গুরু“- টিউটোরিয়ালটির মূল্য মাত্র ৯৯০ টাকা, কিন্তু এতে মোট লেসন রয়েছে- ২৭৫ টি+ এবং মোট ৩৫ ঘণ্টারও বেশী ক্লাস রয়েছে।

তবে, যে কোন “আসলাম আর গেলাম”-টাইপের কোম্পানির টিউটোরিয়াল কিনলে ১০০% প্রতারিত হবেন।

এর জন্য আমাদের সাজেশন প্রথমেই কোন মানসম্মত কোম্পানির টিউটোরিয়াল সংগ্রহ করে সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানুন এবং শিখুন। এইক্ষেত্রে এমনও হতে পারে, আপনি টিউটোরিয়াল দেখেই কাজ করার লেভেল যেতে পারেন।

টিউটোরিয়াল দেখার পরে কোন বিষয়ে আপনার এমন ধারণা হবে যার ফলে কোন ট্রেনিং সেন্টার আপনাকে প্রতারিত করতে পারবে না

যদি মনে করেন টিউটোরিয়াল দেখার পরেও আরও কিছু জানতে চাচ্ছেন তাহলেই কেবল কোন মানসম্মত প্রতিষ্ঠান থেকে কোর্স করে নিন

তবে একটা কথা ভুলবেন না-

” এমন কোন কোর্স তৈরি করা সম্ভব নয় যেখানে আপনাকে কোন বিষয়ের ১০০% মানে সবকিছু শিখিয়ে দেয়া যায়, কোর্স আপনাকে ছিপ দিয়ে মাছ ধরা শিখিয়ে দিতে পারে, কিন্তু মাছ আপনাকেই ধরে খেতে হবে- কাজেই ভূলেও ভাবা যাবে না যে, কোর্স করেই আপনি এক লাফে টাকা কামিয়ে কোটিপতি হয়ে যাবেন “

এবং কখনোই কোন প্রতিষ্ঠান থেকে কোর্স করার সময় আশা করবেন না যে আপনি একেবারে সব কিছু শিখতে পারবেন, আবার কোর্স করা হয়ে গেলে এমনটাও ভাববেন না যে আপনি সব শিখে গেছেন।

পরিশ্রম করতেই হবে, এর কোন বিকল্প নেই

কোর্স করার টাকা কোথায় পাব?

আমার মত টিউটরদের সবচাইতে বেশী পেইন এবং লজ্জা দেয় যে প্রশ্নটি সেটি হচ্ছে- ” আমি স্টুডেন্ট/গরীব/বেকার, কোর্স করার জন্য টাকা কোথায় পাব? ”

যদিও ভেবেছিলাম এটি এখানে উল্লেখ করবো না, কিন্তু পরিস্থিতি এমন যে এটি উল্লেখ না করেও কোন উপায় নেই, নিচের কিছু কথা আপনার ভাল নাও লাগতে পারে, তবে এটিই সত্য এবং আমাদের সাথে এমনটিই হয়ে থাকে

অনেকেই ভেবে থাকেন ইন্টারনেটে সার্চ দিয়ে সব শিখে যাব আর টাকা কামিয়ে কোটিপতি হয়ে যাব, কিন্তু আমাদের এই ভাবনাটাই ভুল এবং আমাদের ব্যর্থতার অন্যতম প্রধান কারন।

হয়ত এই “মাগনা খাও আর বাশ দেও”- এই চিন্তাধারণাই আজও বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যমআয়ের দেশেই ধরে রেখেছে, যেখানে ভার্সিটি গুলো জন্ম দেয় অধিকাংশ আড্ডাবাজ আর শিক্ষিত সার্টিফিকেটধারি বেকারদের (সরি, কাউকে উদ্দেশ্য করে বলা নয়)

আমরা নিজে টাকা ইনকাম করতে চাই ইন্টারনেট থেকে, চাই কারো কাজ করে টাকা আয় করতে অথচ ট্রেনিং এর জন্য টাকা খরচ করার কথা উঠলেই শিক্ষকদের ধান্দাবাজ বলতে টাইম লাগে না

অনেকেই ট্রেইনরদের গালি দেই- ” নিজে পারে নাই দেইখা শিখাইতে আসছে, শালা ধান্দাবাজ “- বলে, কিন্তু আসলে এমন নয়, বরং তাদের জন্যই আজকে বাংলাদেশ সরকার ফ্রীল্যান্সিং সেক্টরকে গার্মেন্টস শিল্পের মত সম্ভাবনার চোখে দেখে।

আরে ভাই, সে নিজে পারে দেখেই তো আপনাকে শেখাতে আসছে

এই পেশার অধিকাংশ ট্রেইনরদের ইনকাম তাদের ট্রেনিং-ফি এর থেকে অনেক গুন বেশী, এরপরেও তারা ট্রেনিং দেয় ভালবাসা থেকে, মার্কেটে নিজেদের অবস্থান জানান দেয়ার জন্য, দেশের জন্য

আমরা জাতি হিসেবেই হয়ত এমন, যার কাছ থেকে উপকার পাই, উপকার শেষ হলে তাকে লাথি দিতে এক সেকেন্ডও দেরি করি না

এছাড়াও, আমরা এমন এক জাতি যারা বন্ধু-বান্ধবীর সাথে আড্ডা দিয়ে হাজার হাজার টাকা নষ্ট করতে রাজী, সিলেট, কক্সবাজার ঘুরে দশ বিশ হাজার টাকা নষ্ট করে ফেলি, কিন্তু শেখার জন্য মাত্র কয়েক হাজার টাকা খরচ করতে গেলেই পকেট খালি হয়ে যায়- সেখানে আমরা ট্রেইনরদের ধান্দা দেখি 🙁

এইভাবে আমরা অপরের ক্ষতি তো করি-ই, সাথে সাথে নিজের পায়েও কুড়াল মারি, যার ব্যাথা হয়ত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরেই বোঝা যায়, কিন্তু তখন আফসোস ছাড়া আর কিছুই করার থাকে না

অথচ, সেই আড্ডা বা অযথা টাইম-পাস আপনাকে জীবনে তৎক্ষণাৎ আনন্দ এবং দীর্ঘস্থায়ী দুঃখ+হতাশা ছাড়া কিছুই দিতে পারে না

অপরদিকে, নিজের প্রতি, জ্ঞান অর্জনের প্রতি সামান্যতম ইনভেস্ট আর পরিশ্রম জীবনকে সত্যিই অনেক সুন্দর করতে পারে- যেটা আমরা বুঝি কিন্তু কোনদিন চেস্টাও করি না

এবার আমি আপনাকে জিজ্ঞেস করি- “কোর্স করার জন্য আপনি কোথায় টাকা পাবেন?”

যদি এখনো এই প্রশ্নের উত্তর খুজে না পান তাহলে হয়ত আপনি এখনো আপনার নিজের সফল ক্যারিয়ারের জন্য প্রস্তুত নন

তার মানে মোট সারমর্ম এটা দাড়াল যে,

প্রথমে বিভিন্ন কাজ সম্পর্কে জেনে বুঝে সিদ্ধান্ত নিতে হবে- আপনি কোনটা শিখবেন

এরপরে সেটার উপর বিভিন্ন ওয়েবসাইট, ইউটিউব থেকে তথ্য সংগ্রহ করে বোঝার চেস্টা করতে হবে

টিউটোরিয়াল সংগ্রহের মাধ্যমে সেটা সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা নিতে হবে এবং শিখতে হবে

এবং সবশেষে একান্তই প্রয়োজন হলে সরাসরি ভাল সুনামধারী কোন প্রতিষ্ঠান থেকে কোর্স করে নিতে হবে

কাজ শেখা সম্পর্কে কিছু কথা,

আমরা ভাবি ৬ মাস কাজ শিখবো তারপরে আয় করবো, এই জন্যই আসলে বেশিদিন মার্কেটে টিকে থাকতে পারি না। ধারনাটা এমন না হয়ে এমন হওয়া উচিত যে- ৬ মাসে আমি কাজ করতে পারার মত লেভেলে যাব এবং কাজ শুরু করবো, এইভাবে কাজও করতে থাকবো এবং পাশপাশি শিখতেও থাকবো, আরো অ্যাডভান্স হবো…. এইভাবে চলতে থাকবে, আর যদি এইভাবে আপনি চালাতে পারেন, তাহলেই কেবল দীর্ঘদিন মার্কেটে টিকে থাকতে পারবেন

একদম সহজ কথায় বলে দিলে, শিখতে থাকছেন মানে টিকে যাচ্ছেন, শেখা বন্ধ মানে ভবিষ্যৎ অন্ধ 

এবার আশা যাক সবচাইতে কঠিন টপিকে,

কাজ শেখার পরে কাজ পাবেন কোথায়? কাজ দিবে কে?

কাজ পাওয়ার সবচাইতে সহজ উপায় হচ্ছে- রেফারেন্স থেকে কাজ পাওয়া।

পরিচিত কোন বন্ধু, বান্ধবী বা বড় ভাই তাদের মাধ্যমে কাজ পাওয়া হচ্ছে সবচাইতে সহজ এবং নির্ভর যোগ্য। তবে ইন্টারনেটের দুনিয়াতেও এমন অনেক রেফারেন্স পাওয়া যায়, যখন আপনি কাজ শুরু করে দিবেন তখন আপনার কোয়ালিটি ভাল হলে এক ক্লাইন্ট আরেক ক্লাইন্টকে রেফার করবে এইভাবে যত বেশি কাজ করবেন তত বেশি অর্ডার বাড়তে থাকবে।

কাজ পাওয়ার আরো একটি বুলেটপ্রুফ উপায় হচ্ছে- সোশ্যাল মিডিয়া যেমন – লিঙ্কডিন, ফেসবুক ইত্যাদিতে বিভিন্ন গ্রুপে নিয়মিত অ্যাক্টিভ থাকা।

বিভিন্ন ফোরামে নিজের দক্ষতার প্রমান দেয়া…….. সবচাইতে সহজ হচ্ছে- বড় ভাইদের সাথে লেগে থাকা… ফেসবুক গ্রুপে যদি আঠার মত থাকতে পারেন তাহলে কাজ জোগাড় করতে বেগ পেতে হবে না………..

 

কাজ করার পর উপার্জিত অর্থ কিভাবে পাব?

সিম্পল, আপনি যদি কোন ইন্টারন্যাশনাল মার্কেটপ্লেসে কাজ করেন যেমন- আপওয়ার্ক, ফ্রীল্যান্সার ইত্যাদি তাহলে সরাসরি আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করতে পারবেন। প্রতিটা ফ্রীল্যান্স মার্কেটেই ব্যাংক ইনফো দেয়ার জায়গা থাকে, সেখান সঠিক ভাবে নাম, অ্যাকাউন্টং নং ইত্যাদি দিলে তারাই ভেরিফাই করে আপনার আয়কৃত ডলার সরাসরি পাঠিয়ে দিবে এবং ব্যাংক সেই ডলারকে আটোমেটিক টাকায় কনভার্ট করে আপনাকে দিবে।

এছাড়াও, অনেক ফ্রী মাস্টারকার্ড পাওয়া যায়, যেমন- পাইওনার (Payoneer Master Card) ইত্যাদি আপনি অনলাইন থেকে ফ্রীতে আবেদন করে নিতে পারেন। এবং এই কার্ডের ইনফরমেশন আপনার ফ্রীল্যান্সিং মারকেটপ্লেসের অ্যাকাউন্টে দিয়ে এই কার্ডেও ডলার ট্রান্সফার করতে পারেন।

এই কার্ডের সুবিধা হচ্ছে, Master Card লোগো আছে এমন যে কোন ATM বুথ থেকেই আপনি এই কার্ডের মাধ্যমে সরাসরি বাংলা টাকায় টাকা তুলতে পারবেন।

তারমানে বোঝা যাচ্ছে, ব্যাপারটা যত কঠিন শোনা যায় আসলে ততটা নয়। প্রথম বার সব কাজই একটু ঝামেলার মনে হয়, কিন্তু একবার করে ফেললে আর কোন ঝামেলা থাকে না।

 

এই ছিল চাকরি এবং ব্যবসার আদ্যোপান্ত

যাদের মনে এখনো কোন ধরনের প্রশ্ন রয়েছে তারা আমদের ফেসবুক গ্রুপে জয়েন হয়ে অন্যান্য স্টুডেন্টদের সাথে ডিসকাশনের মাধ্যমে সমাধান করে নিতে পারেন।- ফেসবুক গ্রুপ

আর হ্যা, সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ অংশ, এই বিষয়ে আমার সাজেশন 🙂

আমার মতে,

যদি আপনার পর্যাপ্ত টাকা এবং আইডিয়া থাকে তাহলে ব্যবসা শুরু করে দিন

আর যদি টাকা না থাকে তবে,

প্রথমে ফ্রীল্যান্সিং বা চাকরির দিকে আত্মনিয়োগ করুন। সেখানে কাজ করে কিছু টাকা জমান।

এবং টাকা হাতে এসে গেলে আপনি যে বিষয়ে ফ্রীল্যান্সিং করতেন সেই বিষয়ের উপরেই ব্যবসা শুরু করে দিন।

যেমন ধরুন, আপনি ওয়েব ডিজাইন এর কাজ করতেন। প্রথমে ফ্রীল্যান্সিং করে বেশ আর্নিং করছেন, এরপরে যখন পর্যাপ্ত টাকার যোগাড় হয়ে যাবে তখন নিজেই নিজের ফার্ম করে নিতে পারেন।

এই বিষয়টা আমি নিজে ফলো করছি, এবং আমার দেখা প্রায় ৯৫%+ ফ্রীল্যান্সাররাই এই কাজ করে থাকে। কারন, আপনি বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, ইন্টারনেটে চাকরির তুলনায় ব্যবসায় অনেক বেশী আয় করা যায়, এমনকি এখানে বিলিয়ন ডলার বিজনেস করাও সম্ভব, যার বড় প্রমাণ আপনি একটু গুগলে সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন।

বিশ্বের সেরা ধনীর প্রথম ১০ জনের মধ্যে ৪ জনেরই অর্থের উৎস ইন্টারনেট ভিত্তিক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে।

এবার সিদ্ধান্ত আপনার? কি করবেন???

শুধু একা একা সিদ্ধান্ত নিলেই হবে না, কি সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন সেটা আমাদের সাথেও শেয়ার করুন। আমরাও শুনতে চাই আপনার আইডিয়া, জানতে চাই কি ভাবছেন আপনি, কিভাবে প্ল্যান করছেন।

পুরো সিরিজটি কেমন লেগেছে তা অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন।

দয়া করে অকৃতজ্ঞ হবেন না, এই মডিউলটির অন্তত একটা ভুল বা একটা সাজেশন/মতামত দিয়ে হলেও আমাদের এই কষ্টের কর্মটির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রদর্শন করুন এবং আমি জানি আপনি অবশ্যই অকৃতজ্ঞ নন 🙂

আপনার সাজেশন কমেন্ট বক্সে জানান…..

পুরো লিখাটা পরে কিছু কি বুঝতে পেরেছেন? নানা প্রশ্ন মাথায় আসছে? Awesome!!!

এইতো সবে শুরু…  ফ্রীল্যান্সিং নিয়ে বিভিন্ন আর্টিকেল আমাদের ওয়েবসাইটে নিয়মিত প্রকাশ করা হবে… চোখ রাখুন নিয়মিত…..

শুরু করতে চাচ্ছেন? আমাদের প্রিমিয়াম কোর্সগুলো স্পেশাল ডিস্কাউন্টে চেক করুন এখানে

37 comments

  1. Kisui jantam na but basic knowledge ta pelam. Tnx vaia.

  2. অচেনা প্রিয় আব্দুল কাদের ভাই,
    আপনার লেখাটা অনেক অনেক অনেক ভাল হয়েছে । এই লেখা অনেকেই উৎসাহিত হবেন। ধন্যবাদ এই রকম লেখার জন্য।

  3. আমার প্রিয় আব্দুল কাদের স্যার,
    আমি বেশ কিছুদিন যাবৎ আপনার এই অনলাইন কাজ বিষয়ে বিভিন্ন টিউটোরিয়াল এবং বিভিন্ন লেখা পড়ে দেখলাম ! আমার আপনার দেওয়া সব গুলোই ভালো লেগেছে ! আমি অতি শিঘ্রই আপনার ““ওয়েব গুরু““ টিউটোরিয়াল কিনবো !
    তার সাথে আপনাকে ধন্যবাদ জানাই যে আপনি সত্যি দেশ ও আমার মত যুবকের অনেক উপকার করছেন ! তাই আপনার জন্য প্রাণ খুলে দোয়া করি ! হাজার বছর বেঁচে থাকেন ! আর আমাদের এই সব কাজ শিক্ষা দিয়ে যান !

    • আব্দুল কাদের (এডমিন)

      আপনার জন্যও একই দোয়া রইল ভাইজান। ধন্যবাদ

  4. সালাহউদ্দীন আহসান

    আমরা খুব সহজেই বিশ্বাস করে ফেলি তাই অল্পতেই বিরাট ক্ষতি করে ফেলি ভবিষ্যতের, তবে আপনার উদার এই প্রচার-প্রসার ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে এতটা কেয়ারফুলি উপস্থাপনাা করাটা বড়ই মহানুভবতা। অনেক শুকরিয়া আপনাকে জানাই…

    আশা করি অনেকের হৃদয়ের চক্ষু খুলে যাবে, সৎ উপার্জনে উৎসাহী হবে….!!!

  5. excellent brother

  6. গতকালকে সীদ্ধান্ত নিয়ে আজকেই আপনার ওয়েব গুরু ও এসইও কিনলাম। পরে এই আর্টিক্যালটাও পড়লাম। সহজ ও সুন্দর ভাষায় লিখার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।
    আশা করি ভবিষ্যতে আপনার মূল্যবান দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা পাবো ইনশা আল্লাহ।

    • আব্দুল কাদের (এডমিন)

      জি অবশ্যই ইনশাআল্লাহ্‌। আপনার জন্য অনেক শুভকামনা রইল। ধন্যবাদ

  7. post ta onek helpful. onek din teeke ai IT bari r fb page,web page article portace. onek knowledge paice er tekeh…akon siddanto nehw ar agah akbar sir er sataeh contact kore netah chai. please sir er number na amk deban.

    • আব্দুল কাদের (এডমিন)

      আপনার আগ্রহের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে এই নম্বরে যোগাযোগ করুন- 09604400400 (10am-4pm)

  8. khub valo legese puro lekha pore

  9. Onek kichui jante parlam .
    But,
    Ami kichudin jabot e vabtesi online business e jabo.
    Spend korte chacchi $2000-$25000
    But,proper kuno guide line pacchi na.
    kivabe suru korbo?
    kun ta korle valo hobe?
    Full bisoy ta sombonde ki amake help kora jabe?
    eCommerce er dik e jte chacchi.
    .
    Ami web developing and SEO janina.
    SEO ta korar iccha amar ache.
    .
    Thanks

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *